
ইসলামপুর পৌরসভা নির্বাচনে আলোচনায় শক্ত অবস্থানে “নাজিম হোসেন নোমান”
সৈয়দ এনামুর রকিব :
জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতেই আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুরের ইসলামপুর পৌরসভায় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাজিম হোসেন নোমান মেয়র পদে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। এ প্রেক্ষাপটে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন নাজিম হোসেন নোমান। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি এলাকায় ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
বিশেষ করে প্রতিকূল সময়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকা এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবুর নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি অনেকের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
জানা যায়, নাজিম হোসেন নোমান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৯৮ সালে ইসলামপুর কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘদিন ইসলামপুর পৌর ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কালে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয় এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটে।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও পূজা মণ্ডপে অনুদান প্রদান, দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার ও ত্রাণ বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন। ফলে দলমত নির্বিশেষে একজন ক্লিন ইমেজের সমাজসেবক হিসেবে এলাকায় তার একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে নাজিম হোসেন নোমান বলেন, আমি নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত রেখে ইসলামপুর পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও উন্নত শহরে রূপান্তরিত করতে চাই। জননেতা আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবুর হাতকে শক্তিশালী করতে এবং বেকারত্ব দূরীকরণসহ দরিদ্র মানুষের সেবায় আজীবন কাজ করে যেতে চাই।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে ইসলামপুরে রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
নিউজ ডেস্ক 












