
দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে তিস্তা এক্সপ্রেসে যাত্রী সেবকদের চলছে রমরমা বাণিজ্য
এনামুল হক
দেখে তো মনে হয় বাস কাউন্ডারে হকার যাত্রীদের যেমন হাঁকডাকে করে,তেমনি ভাবে ট্রেনেরযাত্রী কে ডাকতে দেখা যায় ট্রেনের দায়িত্বরত যাত্রী সেবা দান কারীদের, ইসলামপুর বাজার স্টেশনে তাদের যাত্রী কে হাঁকডাকের এমনি চিত্র কালবেলা প্রতিবেদকের ক্যামেরায় ধরা পরলো।
ইসলামপুর বাজার স্টেশন থেকে ঢাকার শোভন চেয়ার টিকিটের মূল্য ২৫৫ টাকা,এসি চেয়ারটিকিটের মূল্য , ৪৫০টাকা অথচ টিকিট ছাড়া হাঁকডাক করে যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩০০-৪০০ টাকা।
দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকা গামী আন্তঃনগর ট্রেন -এ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ট্রেনের কিছু যাত্রী সেবকদের বিরুদ্ধে এই বাণিজ্যর ঘটনা দৈনন্দিন ঘটছে বলে জানা গেছে।
দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের ৩টা ১০ মিনিটে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ধারণ করা হয়, যেখানে দেখা যায়, ইসলামপুর বাজার স্টেশন থেকে টিকিটবিহীন যাত্রীদের অবৈধভাবে ট্রেনে উঠানো সহযোগীতা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এসকল কর্মচারী।
ট্রেনের মধ্যে যাত্রী সেবা দান কারীদের ভাষ্য
সরকারি নির্ধারিত ভাড়া শোভন চেয়ারের একটি ২৫৫ টাকা, সেখানে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একাধিক যাত্রী সেবা দান কারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই অতিরিক্ত টাকার একটি অংশ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মধ্যে ভাগাভাগি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিজন যাত্রীর কাছ থেকে নেওয়া ৪০০ টাকার মধ্যে প্রায় ১০০ টাকা এটেনডেন্টদের কাছে থাকে এবং বাকি ৩০০ টাকা ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকদের (টিটি) কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
যাত্রীসেবার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এতে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
নিউজ ডেস্ক 












