
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চিনারচর এলাকায় প্রাক্তন স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার ঘটনায় নিজের নাম জড়ানোকে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি ওই নারীর বিষয়ে আগে কিছুই জানতাম না। এমনকি তিনি যে শাহানুর রহমান পলাশের স্ত্রী ছিলেন, সেটিও পরে জানতে পারি। ভিডিও বা ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় আমার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।”
তিনি আরও দাবি করেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য (মেম্বার) পদে প্রার্থী হওয়ার কারণে প্রতিপক্ষরা তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনায় জড়িয়েছে।
আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। আমার জনপ্রিয়তা দেখে প্রতিদ্বন্দ্বীরা ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে বিতর্কিত করতে চাচ্ছে। একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে ওই নারীকে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।”
তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানান এবং বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে এবং আমি ন্যায়বিচার পাব।
এ ঘটনায় নিজের সম্মান রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান আব্দুল কুদ্দুস। তিনি গণমাধ্যমকেও যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।
ফিরোজ শাহ : 













