
ইসলামপুরে শত্রুতার বসতে চালে বিষ মিশিয়ে মুরগী মারার অভিযোগ
মোঃ এনামুল হক :-
জামালপুরের ইসলামপুরে বিষ প্রয়োগে অর্ধ শতাধিক দেশী মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় এক জমি মালিকের বিরুদ্ধে।
১৭সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সরেজমিন গিয়ে কলা বাগানের মধ্যে ওই সব মুরগী মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায় মুরগির মালিকরা।
জানা যায়, উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের প্রজাপতি সিন্দুরতলী গ্রামের স্থানীয় প্রভাবশালী জমির মালিক মৃত সামাদ পরামানিকের ছেলে নয়া পরামানিকের ১০ শতক জমিতে কলার বাগান করেছেন। ওই বাগানের পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রায় ৬টি হতদরিদ্র পরিবার বসবাস করে আসছে। পরিবার গুলো অর্থনৈতিক চাহিদা মেটাতে দৈনিক কাজের পাশাপাশি প্রত্যেকের গৃহে কিছু কিছু মুরগী পালন করে আসছে। হঠাৎ করে গত বুধবারে সন্ধ্যায় জমির মালিক মৃত সামাদ পরামানিকে ছেলে নয়া পরামানিক চালের সাথে বিষ মিশিয়ে কলার বাগানে ছিটিয়ে দিয়ে আসে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে প্রত্যেকের খোঁয়াড় থেকে মুরগী ছেড়ে দিলে কলার বাগানে মধ্যে থাকা বিষ মিশ্রিত চাল খেয়ে ৬টি পরিবারের প্রায় অর্ধশতাধিক মুরগী মারা যায়। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলো।
বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোক্তভুগী পরিবারগুলোর পক্ষে আব্দুলাহ্ বাদি হয়ে ইসলামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আব্দুলাহ্ বলেন, আমাদের বাড়ির পাশে মৃত সামাদ পরামানিকের ছেলে নয়া পরামানিক ১০ শতক জমিতে বরাবরেই মতই ফসল করে নিয়ে যায় কোন সমস্যা হয় না। এবার ওই জমিতে কলা বাগানে আমাদের না জানিয়ে বুধবারে নয়া পরামানিক হঠাৎ করে চালের সাথে বিষ মিশিয়ে কলা বাগানের মধ্যে ছিটিয়ে দেয়। আর সেই বিশ খেয়ে আমাদের অর্ধশতক মুরগী মারা যায়। আমরা গরীব মানুষ আমাদের মুরগীগুলো মরে যাওয়ায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেলো। আমরা গরীব মানুষ তাই এঘটনার বিচার চাই।
নয়া পরামানিক বলেন, বেশ কয়েকদিন যাবৎ কলা বাগানের মধ্যে বিষ দিবো বলে তাদের বলে আসছি। জমিতে বিষ প্রয়োগের সময় হওয়ায় বিষ দিয়েছি। পরে শুনেছি তাদের কিছু মুরগী মারা গেছে। কিভাবে মারা গেছে তা আমি জানি না। তবে চালের সাথে বিষ মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগটি মিথ্যা।
ঈসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিউজ ডেস্ক 









