ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসলামপুরে পাটের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শুলার দাম

ইসলামপুরে পাটের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শুলার দাম

মোঃ এনামুল হক
নিজস্ব প্রতিনিধি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পাটের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পাটের শোলার দাম। উপজেলার বাজারগুলোতে বেশ চড়া মূলে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি লাকড়ি হিসেবে এই পাট শোলা ।

উপজেলার চরঅঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের চাষআবাদ শুরু হওয়ায় ও পাটের ন্যায্য মূল্য না পাওয়াই পাট চাষ থেকে সরে যাচ্ছেন চাষীরা। এতে করে কমছে পাট চাষ। যার কারনে পাটের শোলার দামও বৃদ্ধি বলে জানান পাট শোলা বিক্রেতারা।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গুঠাইল পাইলিং  পার হাটে এক মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ১০০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকায়, অথচ সেই পাটের শোলা  বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি ২০ থেকে ৩০ টাকায়,যা বিগত দিনগুলোর চেয়ে বেশি।

শোলা বিক্রেতা মো.শাহজাহান জানান, দিন দিন এই পাট শোলার চাহিদা বৃদ্ধি হচ্ছে, আর সরবরাহ কম থাকায় পাশের উপজেলা থেকে আমদানি করতে হয় বলে দাম একটু বেশি।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল মালেক জানান, ভালো ফলন হলে পাটের পাশাপাশি এক একর জমিতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার পাট শোলা বিক্রি করা সম্ভব। জ্বালানির লাকড়ি হিসেবেও পাটের শোলা ভালো। তাই পাটের পাশাপাশি শোলাও সংরক্ষণ করেন তারা।

সাপধরী ইউনিয়ন মন্ডল পাড়া এলাকার আব্দুল মজিদ  জানান, সাত বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলাম,তা বিক্রি করে ভালোই টাকা পাইছি । পাট বিক্রি করে পাশাপাশি শোলা বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জানান, এবছর ইসলামপুর উপজেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিলো । আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও  পর্যাপ্ত পাট পঁচানোর পানি থাকায়, নির্দিষ্ট সময়ে পাট ধুয়ে বিক্রি করেছেন চাষিরা। পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি হিসেবেও পাটের শোলার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। আগামী মৌসুমে পাটের চাষের লক্ষ্যমাত্রা বাড়বে বলেও জানান তিনি।

 

ট্যাগ:
রিপোর্টারের সম্পর্কে

জনপ্রিয় খবর

ইসলামপুরের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণে মাঠে নামলো ক্লিন আপ বাংলাদেশ ও রক্ত সৈনিক

ইসলামপুরে পাটের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শুলার দাম

প্রকাশের সময়: ১০:২৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামপুরে পাটের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শুলার দাম

মোঃ এনামুল হক
নিজস্ব প্রতিনিধি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পাটের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পাটের শোলার দাম। উপজেলার বাজারগুলোতে বেশ চড়া মূলে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি লাকড়ি হিসেবে এই পাট শোলা ।

উপজেলার চরঅঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের চাষআবাদ শুরু হওয়ায় ও পাটের ন্যায্য মূল্য না পাওয়াই পাট চাষ থেকে সরে যাচ্ছেন চাষীরা। এতে করে কমছে পাট চাষ। যার কারনে পাটের শোলার দামও বৃদ্ধি বলে জানান পাট শোলা বিক্রেতারা।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গুঠাইল পাইলিং  পার হাটে এক মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ১০০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকায়, অথচ সেই পাটের শোলা  বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি ২০ থেকে ৩০ টাকায়,যা বিগত দিনগুলোর চেয়ে বেশি।

শোলা বিক্রেতা মো.শাহজাহান জানান, দিন দিন এই পাট শোলার চাহিদা বৃদ্ধি হচ্ছে, আর সরবরাহ কম থাকায় পাশের উপজেলা থেকে আমদানি করতে হয় বলে দাম একটু বেশি।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল মালেক জানান, ভালো ফলন হলে পাটের পাশাপাশি এক একর জমিতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার পাট শোলা বিক্রি করা সম্ভব। জ্বালানির লাকড়ি হিসেবেও পাটের শোলা ভালো। তাই পাটের পাশাপাশি শোলাও সংরক্ষণ করেন তারা।

সাপধরী ইউনিয়ন মন্ডল পাড়া এলাকার আব্দুল মজিদ  জানান, সাত বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলাম,তা বিক্রি করে ভালোই টাকা পাইছি । পাট বিক্রি করে পাশাপাশি শোলা বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জানান, এবছর ইসলামপুর উপজেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিলো । আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও  পর্যাপ্ত পাট পঁচানোর পানি থাকায়, নির্দিষ্ট সময়ে পাট ধুয়ে বিক্রি করেছেন চাষিরা। পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি হিসেবেও পাটের শোলার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। আগামী মৌসুমে পাটের চাষের লক্ষ্যমাত্রা বাড়বে বলেও জানান তিনি।